লটারি ছাড়া কোরিয়া যাওয়ার উপায়

হ্যালো বন্ধুরা, কেমন আছেন সবাই? আশা করি সকলেই খুব ভালো আছেন। আপনারা অনেকেই লটারি ছাড়া কোরিয়া যাওয়ার উপায় সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। আজকে আমি আপনাদেরকে লটারি ছাড়া কোরিয়া যাওয়ার উপায় সম্পর্কে বলবো। তো চলুন শুরু করা যাক।

আজকের বিষয় সমুহ।

লটারি ছাড়া কোরিয়া যাওয়ার উপায়

লটারি ছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়ার বেশ কয়েকটি উপায় রয়েছে।

1. ইপিএস (কর্মসংস্থান অনুমতি ব্যবস্থা)

ইপিএস হল একটি সরকারী-থেকে-সরকারী চুক্তি যা বাংলাদেশি শ্রমিকদের দক্ষিণ কোরিয়ায় নির্দিষ্ট শিল্পে কাজ করার সুযোগ করে দেয়। এই প্রক্রিয়াটি লটারি-ভিত্তিক নয়, তবে আগ্রহী প্রার্থীদের নির্বাচনের জন্য একটি যোগ্যতা পরীক্ষা পাস করতে হবে।

যোগ্যতার জন্য প্রয়োজনীয়তা:

  • 18 থেকে 39 বছর বয়সের মধ্যে হতে হবে
  • SSC বা সমতুল্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে
  • শারীরিকভাবে ফিট হতে হবে
  • কোরিয়ান ভাষায় প্রাথমিক দক্ষতা থাকতে হবে

প্রক্রিয়া:

  1. অনলাইনে আবেদন করুন: বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (BOESL) ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করুন।
  2. যোগ্যতা পরীক্ষা: যোগ্য প্রার্থীরা একটি লিখিত এবং মৌখিক পরীক্ষা দেবে যা কোরিয়ান ভাষা, সাধারণ জ্ঞান এবং মৌলিক গণিত অন্তর্ভুক্ত করবে।
  3. চাকরির সাক্ষাৎকার: যারা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয় তারা কোরিয়ান নিয়োগকর্তাদের দ্বারা সাক্ষাৎকার দেবে।
  4. নির্বাচন ও ভিসা প্রক্রিয়াকরণ: নির্বাচিত প্রার্থীরা একটি চাকরির চুক্তি স্বাক্ষর করবে এবং তাদের ভিসা প্রক্রিয়া করবে।

2. বিশেষজ্ঞ ভিসা

আপনি যদি কোন নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে দক্ষ হন, যেমন প্রকৌশল, তথ্য প্রযুক্তি বা শিক্ষা, আপনি একটি বিশেষজ্ঞ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন। এই ভিসাগুলি আপনাকে দক্ষিণ কোরিয়ায় একটি নির্দিষ্ট কোম্পানির জন্য কাজ করার অনুমতি দেয়।

যোগ্যতার জন্য প্রয়োজনীয়তা:

  • একটি স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে
  • আপনার ক্ষেত্রে 5 বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে
  • কোরিয়ান ভাষায় দক্ষতা থাকতে হবে

প্রক্রিয়া:

  1. একটি কোরিয়ান কোম্পানির কাছ থেকে চাকরির অফার পান।
  2. আপনার চাকরিদাতার কাছ থেকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ করুন।
  3. দক্ষিণ কোরিয়ান দূতাবাস বা কনস্যুলেটে ভিসার জন্য আবেদন করুন।

3. বিনিয়োগ ভিসা

আপনি যদি দক্ষিণ কোরিয়ায় 500,000 মার্কিন ডলার বা তার বেশি বিনিয়োগ করতে ইচ্ছুক হন তবে আপনি একটি বিনিয়োগ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন। এই ভিসা আপনাকে এবং আপনার পরিবারকে দেশে বসবাস করার এবং কাজ করার অনুমতি দেয়।

লটারি ছাড়া কি কোরিয়া যাওয়া যায়?

হ্যাঁ, লটারি ছাড়াও দক্ষিণ কোরিয়া যেতে বেশ কিছু উপায় আছে।

প্রধান উপায়গুলো হল:

১. ইপিএস (Employment Permit System):

  • এটি একটি সরকারি-থেকে-সরকারি চুক্তি যা বাংলাদেশিদের নির্দিষ্ট শিল্পে কাজ করার জন্য দক্ষিণ কোরিয়ায় যাওয়ার সুযোগ করে দেয়।
  • লটারির প্রয়োজন নেই, তবে আগ্রহীদের একটি যোগ্যতা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

যোগ্যতার জন্য:

  • ১৮ থেকে ৩৯ বছর বয়সের মধ্যে হতে হবে।
  • SSC বা সমতুল্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
  • শারীরিকভাবে ফিট হতে হবে।
  • কোরিয়ান ভাষায় প্রাথমিক দক্ষতা থাকতে হবে।

প্রক্রিয়া:

  1. BOESL ওয়েবসাইটে অনলাইনে আবেদন করুন।
  2. যোগ্যতা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।
  3. চাকরির সাক্ষাৎকারে অংশগ্রহণ করুন।
  4. নির্বাচিত হলে, চুক্তি স্বাক্ষর করুন এবং ভিসার জন্য আবেদন করুন।

২. বিশেষজ্ঞ ভিসা:

  • নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে দক্ষ ব্যক্তিদের জন্য, যেমন প্রকৌশল, তথ্য প্রযুক্তি, বা শিক্ষা।
  • একটি নির্দিষ্ট কোম্পানির জন্য কাজ করার অনুমতি দেয়।

যোগ্যতার জন্য:

  • একটি স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রে স্নাতক ডিগ্রি।
  • 5 বছরের অভিজ্ঞতা।
  • কোরিয়ান ভাষায় দক্ষতা।

প্রক্রিয়া:

  1. একটি কোরিয়ান কোম্পানির কাছ থেকে চাকরির অফার পান।
  2. প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ করুন।
  3. দক্ষিণ কোরিয়ান দূতাবাসে ভিসার জন্য আবেদন করুন।

৩. বিনিয়োগ ভিসা:

  • দক্ষিণ কোরিয়ায় 500,000 মার্কিন ডলার বা তার বেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য।
  • বিনিয়োগকারী এবং পরিবারকে দেশে বসবাস ও কর্মসংস্থানের অনুমতি দেয়।

যোগ্যতার জন্য:

  • দক্ষিণ কোরিয়ায় 500,000 মার্কিন ডলার বা তার বেশি বিনিয়োগ করতে হবে।
  • একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ব্যক্তিগত সম্পদ থাকতে হবে।
  • কোরিয়ান ভাষায় প্রাথমিক দক্ষতা থাকতে হবে।

প্রক্রিয়া:

  1. বিনিয়োগ পরিকল্পনা তৈরি করুন।
  2. কোরিয়ান কর্তৃপক্ষের অনুমোদন লাভ করুন।
  3. বিনিয়োগ করুন এবং ভিসার জন্য আবেদন করুন।

অন্যান্য উপায়:

  • ছাত্র ভিসা: যদি আপনি দক্ষিণ কোরিয়ায় পড়াশোনা করতে চান।
  • গবেষণা ভিসা: গবেষণা পরিচালনা করার জন্য।
  • পরিবার পুনর্মিলন ভিসা: যদি আপনার স্বামী/স্ত্রী বা সন্তান দক্ষিণ কোরিয়ায় থাকে।

কোরিয়ান লটারি ভিসার জন্য কিভাবে আবেদন করব?

দক্ষিণ কোরিয়ান ইপিএস (Employment Permit System) ভিসা বাংলাদেশিদের নির্দিষ্ট শিল্পে কাজ করার জন্য দেশটিতে যাওয়ার সুযোগ করে দেয়। লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত হওয়া ছাড়াইও আপনি এই ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।

যোগ্যতার জন্য:

  • ১৮ থেকে ৩৯ বছর বয়সের মধ্যে হতে হবে।
  • SSC বা সমতুল্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
  • শারীরিকভাবে ফিট হতে হবে।
  • কোরিয়ান ভাষায় প্রাথমিক দক্ষতা থাকতে হবে।

প্রক্রিয়া:

১. অনলাইনে আবেদন:

  • বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (BOESL) ওয়েবসাইট (https://boesl.gov.bd/) থেকে অনলাইনে আবেদন ফর্ম ডাউনলোড করুন এবং পূরণ করুন।
  • প্রয়োজনীয় নথিপত্র স্ক্যান করুন এবং আপলোড করুন।
  • নির্ধারিত ফি প্রদান করুন।

২. যোগ্যতা পরীক্ষা:

  • যোগ্য প্রার্থীরা লিখিত এবং মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে।
  • পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞান, কোরিয়ান ভাষা এবং মৌলিক গণিত অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

৩. চাকরির সাক্ষাৎকার:

  • যারা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয় তারা কোরিয়ান নিয়োগকর্তাদের দ্বারা সাক্ষাৎকার দেবে।
  • সাক্ষাৎকারে আপনার দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এবং কোরিয়ায় কাজ করার আগ্রহ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হবে।

৪. নির্বাচন ও ভিসা প্রক্রিয়াকরণ:

  • নির্বাচিত প্রার্থীরা একটি চাকরির চুক্তি স্বাক্ষর করবে।
  • BOESL তাদের ভিসার জন্য আবেদন করতে সহায়তা করবে।

প্রয়োজনীয় নথিপত্র:

  • SSC বা সমতুল্য পরীক্ষার সনদপত্র
  • জন্ম সনদপত্র
  • জাতীয় পরিচয়পত্র
  • পাসপোর্ট
  • ছবি
  • শারীরিক পরীক্ষার রিপোর্ট
  • কোরিয়ান ভাষা দক্ষতার প্রমাণপত্র (যদি থাকে)

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

  • আবেদনের শেষ তারিখ প্রতি বছর পরিবর্তিত হয়। BOESL ওয়েবসাইটে সর্বশেষ তথ্যের জন্য পরীক্ষা করুন।
  • সমস্ত নির্দেশাবলী এবং প্রয়োজনীয়তা সাবধানে অনুসরণ করুন।
  • ভুয়া নথিপত্র জমা দেবেন না, কারণ এটি আপনার আবেদন বাতিল হতে পারে।
  • প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও তথ্যের জন্য, BOESL ওয়েবসাইট দেখুন অথবা তাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

BOESL যোগাযোগ তথ্য:

বাংলাদেশ থেকে কোরিয়া যেতে কত টাকা লাগে

বাংলাদেশ থেকে কোরিয়া যাওয়ার খরচ নির্ভর করে বিভিন্ন বিষয়ের উপর, যেমন:

  • আপনি যে ভিসার জন্য আবেদন করছেন: ইপিএস ভিসার জন্য খরচ সাধারণত বিশেষজ্ঞ ভিসা বা বিনিয়োগ ভিসার চেয়ে কম।
  • আপনি যে এয়ারলাইন্সে ভ্রমণ করছেন: বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের বিভিন্ন ভাড়া রয়েছে।
  • আপনি যে সময়ে ভ্রমণ করছেন: পিক মৌসুমে টিকিট সাধারণত বেশি ব্যয়বহুল হয়।
  • আপনি কোথায় থাকবেন: কোরিয়ায় থাকার খরচ শহর এবং আপনার থাকার ব্যবস্থার ধরণের উপর নির্ভর করে।

তবে, একটি ধারণা দেওয়ার জন্য, এখানে একটি আনুমানিক খরচ রয়েছে:

  • ইপিএস ভিসা: 10,000 থেকে 15,000 টাকা
  • বিমান ভাড়া: 30,000 থেকে 50,000 টাকা
  • থাকা: 10,000 টাকা প্রতি মাস
  • খাবার: 5,000 টাকা প্রতি মাস
  • পরিবহন: 2,000 টাকা প্রতি মাস
  • অন্যান্য খরচ: 5,000 টাকা প্রতি মাস

সামগ্রিকভাবে, বাংলাদেশ থেকে কোরিয়া যাওয়ার জন্য প্রাথমিক খরচ প্রায় 80,000 থেকে 120,000 টাকা। যাইহোক, এই পরিমাণটি আপনার ব্যক্তিগত অভ্যাস এবং ব্যয়ের উপর নির্ভর করে বেশি বা কম হতে পারে।

এখানে কিছু টিপস রয়েছে বাংলাদেশ থেকে কোরিয়া যাওয়ার খরচ কমাতে:

  • অফ-সিজনে ভ্রমণ করুন।
  • বাজেট এয়ারলাইন্সে উড়ুন।
  • শহরের কেন্দ্রের বাইরে থাকুন।
  • স্বয়ং রান্না করুন।
  • পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করুন।

আপনি যদি কোরিয়ায় যাওয়ার পরিকল্পনা করেন তবে আপনার ভ্রমণের আগে একটি বাজেট তৈরি করা এবং আপনার খরচ কমাতে উপায়গুলি অন্বেষণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

কোরিয়া যাওয়ার যোগ্যতা

কোরিয়া যাওয়ার যোগ্যতা নির্ভর করে আপনি কোন উদ্দেশ্যে যেতে চান তার উপর।

কর্মী হিসেবে:

  • ইপিএস (Employment Permit System): এটি বাংলাদেশিদের জন্য সবচেয়ে সাধারণ ভিসা।
    • বয়স: ১৮ থেকে ৩৯ বছর
    • শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি/সমমান
    • শারীরিকভাবে ফিট
    • কোরিয়ান ভাষায় প্রাথমিক দক্ষতা
    • BOESL https://boesl.gov.bd/ ওয়েবসাইটে আবেদন করতে হবে
  • বিশেষজ্ঞ ভিসা: আপনার যদি কোন নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে দক্ষতা থাকে, আপনি বিশেষজ্ঞ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।
    • প্রয়োজনীয় যোগ্যতা নির্ভর করে আপনার দক্ষতার উপর
    • https://www.mofa.go.kr/eng/index.do ওয়েবসাইটে আরও তথ্য পাবেন
  • বিনিয়োগ ভিসা: আপনি যদি কোরিয়ায় 500,000 মার্কিন ডলার বা তার বেশি বিনিয়োগ করতে চান, আপনি বিনিয়োগ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।

অন্যান্য উদ্দেশ্যে:

  • পর্যটন: আপনার যদি বৈধ পাসপোর্ট এবং পর্যাপ্ত অর্থ থাকে, আপনি পর্যটন ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।
  • ուսում: আপনি যদি কোরিয়ায় পড়াশোনা করতে চান, আপনাকে একটি কোরিয়ান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভর্তি হতে হবে এবং ছাত্র ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।
  • পরিবারের সাথে দেখা: আপনার যদি কোরিয়ায় বসবাসকারী পরিবারের সদস্য থাকে, আপনি তাদের সাথে দেখা করার জন্য ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।

কোন ধরণের ভিসার জন্য আপনার আবেদন করা উচিত তা নির্ধারণ করতে, https://www.mofa.go.kr/eng/index.do ওয়েবসাইট দেখুন।

মনে রাখবেন:

  • ভিসার জন্য আবেদন করার আগে, আপনাকে অবশ্যই সমস্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ করতে হবে।
  • ভিসা প্রক্রিয়াকরণে সময় লাগতে পারে, তাই আপনার ভ্রমণের অন্তত কয়েক মাস আগে আবেদন করা গুরুত্বপূর্ণ।
  • ভিসা পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই, তাই আবেদন করার আগে আপনার যোগ্যতা সাবধানে পরীক্ষা করে নিন।

আপনার যদি কোরিয়া ভ্রমণ সম্পর্কে আরও প্রশ্ন থাকে, তাহলে দয়া করে https://www.mofa.go.kr/eng/index.do ওয়েবসাইট দেখুন অথবা কোরিয়ান দূতাবাসে যোগাযোগ করুন।

পরিশেষে

আমি আশা করছি আপনারা আপনাদের লটারি ছাড়া কোরিয়া যাওয়ার উপায় এই প্রশ্নের উওর পেয়েছেন। আরো কিছু জানার থাকলে নিচে কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

আরো পড়ুনঃ কোন দেশে টাকার মান বেশি

Visited 29 times, 1 visit(s) today

Leave a Comment

x