সরকারি ভাবে বিদেশ যাওয়ার উপায়

হ্যালো বন্ধুরা, কেমন আছেন সবাই? আশা করি সকলেই খুব ভালো আছেন। আপনারা অনেকেই সরকারি ভাবে বিদেশ যাওয়ার উপায় সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। আজকে আমি আপনাদেরকে সরকারি ভাবে বিদেশ যাওয়ার উপায় সম্পর্কে বলবো। তো চলুন শুরু করা যাক।

আজকের বিষয় সমুহ।

সরকারি ভাবে বিদেশ যাওয়ার উপায়

বর্তমানে দুটি প্রধান পদ্ধতি আছে সরকারিভাবে বিদেশ যাওয়ার জন্য:

১) জনশক্তি কর্মসংস্থান ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিএমইটি) এর মাধ্যমে:

  • প্রক্রিয়া:

    • নিবন্ধন: প্রথমে আপনাকে বিএমইটির ওয়েবসাইটে (https://bmet.gov.bd/site/page/53e682c1-3a63-4b6f-a69f-00fb5032208d/-) গিয়ে অনলাইনে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধনের সময় আপনার যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং পছন্দের দেশ সম্পর্কে তথ্য প্রদান করতে হবে।
    • যোগ্যতা যাচাই: নিবন্ধনের পর, বিএমইটি আপনার যোগ্যতা যাচাই করবে। যদি আপনি যোগ্য হন, তবে আপনাকে একটি নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।
    • নির্বাচনী পরীক্ষা: নির্বাচনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে, আপনাকে একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে হবে।
    • চাকরির সুযোগ: প্রশিক্ষণ শেষে, বিএমইটি আপনার জন্য উপযুক্ত চাকরির সুযোগ খুঁজে বের করার চেষ্টা করবে।
  • যোগ্যতা:

    • 18 বছরের বেশি বয়সী
    • কমপক্ষে SSC/HSC/Vocational/Equivalent ডিগ্রি
    • ভালো শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য
    • ইংরেজিতে যোগাযোগ করার দক্ষতা
    • প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা (যেমন, কৃষি, নির্মাণ, শিল্প ইত্যাদি)
  • সুবিধা:

    • সম্পূর্ণ বিনামূল্যে
    • সরকারী নিশ্চয়তা
    • প্রশিক্ষণের সুযোগ
    • ভালো বেতন ও সুযোগ-সুবিধা
  • অসুবিধা:

    • দীর্ঘ প্রক্রিয়া
    • সকলের জন্য সুযোগ নাও থাকতে পারে
    • নির্দিষ্ট দেশে যেতে নাও পারেন

২) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে:

  • প্রক্রিয়া:

    • ওয়েবসাইট: প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট (https://probashi.gov.bd/?fbclid=IwAR0D6ByM3jFO-4UASNLNj1L4odXlHRsR7GUKStzGe-DB6NPzNRokxWEPtKw) থেকে বিভিন্ন দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্পর্কে তথ্য পেতে পারেন।
    • দালালদের সতর্কতা: সরকার অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে আবেদন করুন।
    • প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: পাসপোর্ট, ভিসা, ওয়ার্ক পারমিট, চাকরির চুক্তি ইত্যাদি।
  • যোগ্যতা:

    • নির্ভর করে কাজের ধরণ ও দেশের উপর
  • সুবিধা:

    • বিভিন্ন দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ
    • ভালো বেতন ও সুযোগ-সুবিধা
  • অসুবিধা:

    • ব্যয়বহুল
    • ঝুঁকিপূর্ণ
    • নিজের দায়িত্বে

বিদেশ যাওয়ার সময় কি কি লাগে?

বিদেশ যাওয়ার সময় আপনার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দুটি ভাগে ভাগ করা যায়: প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং ব্যক্তিগত জিনিসপত্র

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

  • ভিসা: আপনার যাওয়ার দেশের জন্য একটি বৈধ ভিসা অবশ্যই থাকতে হবে। ভিসার ধরণ নির্ভর করবে আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য (যেমন, কাজ, পড়াশোনা, পর্যটন) এর উপর।
  • পাসপোর্ট: আপনার পাসপোর্টের মেয়াদ ভ্রমণের শেষ তারিখের পর অন্তত ছয় মাস বৈধ থাকতে হবে।
  • বিমান টিকিট: যাত্রা ও প্রত্যাবর্তনের বিমান টিকিট।
  • ভ্রমণ বীমা: ভ্রমণ বীমা থাকা আপনার জন্য উপকারী হতে পারে যাতে কোন অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটলে আর্থিক ক্ষতি এড়াতে পারেন।
  • অন্যান্য কাগজপত্র: প্রয়োজনে, জন্ম সনদ, বিবাহ সনদ, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র, কর্মসংস্থানের প্রমাণপত্র ইত্যাদি।

ব্যক্তিগত জিনিসপত্র:

  • পোশাক: আপনার ভ্রমণের সময়কাল এবং গন্তব্যের আবহাওয়ার জন্য উপযুক্ত পোশাক।
  • টয়লেট্রিজ: টুথব্রাশ, টুথপেস্ট, সাবান, শ্যাম্পু, লোশন, ওষুধ ইত্যাদি।
  • ইলেকট্রনিক জিনিসপত্র: মোবাইল ফোন, চার্জার, ক্যামেরা, ল্যাপটপ ইত্যাদি (প্রয়োজনে)।
  • অন্যান্য: বই, ম্যাগাজিন, মানচিত্র, অভিধান, ছাতা, সানগ্লাস, টুপি ইত্যাদি।

কিছু টিপস:

  • হালকা ভ্রমণ করুন: অতিরিক্ত জিনিসপত্র বহন করবেন না কারণ এতে ঝামেলা হতে পারে।
  • মূল্যবান জিনিসপত্রের যত্ন নিন: আপনার পাসপোর্ট, টাকা এবং ক্রেডিট কার্ড সাবধানে রাখুন।
  • স্থানীয় রীতিনীতি ও আইনকানুন সম্পর্কে জেনে নিন: ভ্রমণের আগে আপনার যাওয়ার দেশের সংস্কৃতি, রীতিনীতি এবং আইনকানুন সম্পর্কে জেনে নিন।
  • প্রয়োজনীয় নম্বর সংরক্ষণ করুন: আপনার হোটেল, দূতাবাস এবং জরুরী পরিষেবার নম্বর সংরক্ষণ করুন।
  • আপনার ভ্রমণের পরিকল্পনা করুন: আপনি কোথায় যাবেন, কি করবেন এবং কত টাকা খরচ করবেন সে সম্পর্কে একটি পরিকল্পনা তৈরি করুন।

ভারত থেকে অন্য দেশে চাকরি পাওয়ার উপায়?

বিভিন্ন উপায়ে ভারত থেকে অন্য দেশে চাকরি পেতে পারেন।

কয়েকটি জনপ্রিয় পদ্ধতি:

১) জনশক্তি কর্মসংস্থান ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিএমইটি) এর মাধ্যমে:

  • সরকারি প্রতিষ্ঠান: বিএমইটি বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য সুযোগ খুঁজে পেতে সহায়তা করে।
  • প্রক্রিয়া: নিবন্ধন, যোগ্যতা যাচাই, নির্বাচনী পরীক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং চাকরির সুযোগ প্রদান।
  • যোগ্যতা: ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা, ভালো শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য, ইংরেজিতে যোগাযোগ করার দক্ষতা, প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা।
  • সুবিধা: সম্পূর্ণ বিনামূল্যে, সরকারি নিশ্চয়তা, প্রশিক্ষণের সুযোগ, ভালো বেতন ও সুযোগ-সুবিধা।
  • অসুবিধা: দীর্ঘ প্রক্রিয়া, সকলের জন্য সুযোগ নাও থাকতে পারে, নির্দিষ্ট দেশে যেতে নাও পারেন।

২) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে:

  • ওয়েবসাইট: https://probashi.gov.bd/ থেকে বিভিন্ন দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্পর্কে তথ্য পান।
  • দালালদের সতর্কতা: সরকার অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে আবেদন করুন।
  • প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: পাসপোর্ট, ভিসা, ওয়ার্ক পারমিট, চাকরির চুক্তি ইত্যাদি।
  • যোগ্যতা: নির্ভর করে কাজের ধরণ ও দেশের উপর।
  • সুবিধা: বিভিন্ন দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ, ভালো বেতন ও সুযোগ-সুবিধা।
  • অসুবিধা: ব্যয়বহুল, ঝুঁকিপূর্ণ, নিজের দায়িত্বে।

৩) অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে:

  • বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও পোর্টাল: Naukri.com, Indeed, Monster India, Shine.com, LinkedIn ইত্যাদি।
  • বিদেশী কোম্পানির ওয়েবসাইট: আপনার পছন্দের কোম্পানির ওয়েবসাইটে ক্যারিয়ার পাতায় খোলা পদের জন্য আবেদন করুন।
  • রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি: অনলাইনে অনেক রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি আছে যারা বিদেশে চাকরির সুযোগ খুঁজে পেতে সহায়তা করে।

৪) নেটওয়ার্কিং:

  • পেশাদার সংগঠন: আপনার পেশার সাথে সম্পর্কিত পেশাদার সংগঠনের সাথে যোগদান করুন।
  • বিদেশে অবস্থিত ভারতীয়দের সাথে যোগাযোগ: লিঙ্كدইন, ফেসবুক গ্রুপ ইত্যাদি ব্যবহার করে তাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী কে?

২০২৪ সালের ৪ঠা মে তারিখ অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী হলেন জনাব শফিকুর রহমান চৌধুরী।

তিনি ১১ জানুয়ারী ২০২৪ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন ৫ম মন্ত্রীসভায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।

তিনি একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ এবং সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি সিলেট-২ আসন থেকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

মন্ত্রী হিসেবে তার দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে:

  • প্রবাসী বাংলাদেশীদের কল্যাণ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
  • বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করা।
  • প্রবাসীদের রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি করা।
  • প্রবাসীদের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা।

আপনি আরও তথ্যের জন্য নিম্নলিখিত ওয়েবসাইটগুলি দেখতে পারেন:

বিদেশ যাওয়ার সার্কুলার ২০২৩

বিদেশ ভ্রমণের জন্য সরকার কর্তৃক বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সার্কুলার জারি করা হয়।

আপনার প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে, আমাকে আরও তথ্য জানতে হবে:

  • আপনি কোন দেশে যেতে চান?
  • আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য কী? (যেমন, কাজ, ছুটি, পড়াশোনা)
  • আপনি কিভাবে যেতে চান? (যেমন, বিমান, জাহাজ, স্থলপথে)

এই তথ্যগুলো জানলে আমি আপনাকে সঠিক সার্কুলার সম্পর্কে বলতে পারবো।

তবে, কিছু সাধারণ তথ্য আমি আপনাকে দিতে পারি:

  • ভিসা: আপনার যেতে চাওয়া দেশের জন্য একটি বৈধ ভিসার প্রয়োজন হবে। ভিসার ধরণ নির্ভর করবে আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য (যেমন, কাজ, ছুটি, পড়াশোনা) এর উপর।
  • পাসপোর্ট: আপনার পাসপোর্টের মেয়াদ ভ্রমণের শেষ তারিখের পর অন্তত ছয় মাস বৈধ থাকতে হবে।
  • অন্যান্য কাগজপত্র: প্রয়োজনে, জন্ম সনদ, বিবাহ সনদ, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র, কর্মসংস্থানের প্রমাণপত্র ইত্যাদি।
  • কোভিড-১৯: অনেক দেশ এখনও কোভিড-১৯ সংক্রান্ত বিধিনিষেধ আরোপ করে রেখেছে। ভ্রমণের আগে আপনার যেতে চাওয়া দেশের কোভিড-১৯ প্রবিধান সম্পর্কে জেনে নিন।

আপনার ভ্রমণের পূর্বে আপনার যাওয়ার দেশের দূতাবাস বা কনস্যুলেটের সাথে যোগাযোগ করে সর্বশেষ তথ্য ও নির্দেশিকা সম্পর্কে জেনে নিন।

এছাড়াও, আপনি নিম্নলিখিত ওয়েবসাইটগুলিতে আপ-টু-ডেট তথ্য পেতে পারেন:

  • প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়: https://probashi.gov.bd/
  • আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ: https://www.hsia.gov.bd/
  • বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান পরিবহন কর্তৃপক্ষ: https://www.biman-airlines.com/

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় বিদেশে শ্রমিক নিয়োগ

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় (Probashi Kallyan o Baideshik Karma Sangsthan Moantrenalay) বিদেশে শ্রমিক নিয়োগের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তাদের সেবাগুলির মধ্যে রয়েছে:

  • বিভিন্ন দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্পর্কে তথ্য প্রদান করা।
  • আবেদনকারীদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সহায়তা করা।
  • প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করা।
  • বিদেশে কর্মরত শ্রমিকদের কল্যাণ রক্ষা করা।

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিদেশে শ্রমিক নিয়োগের জন্য:

আপনাকে অবশ্যই নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করতে হবে:

১) আবেদন:

২) যোগ্যতা যাচাই:

  • মন্ত্রণালয় আপনার আবেদন যাচাই করবে এবং আপনার যোগ্যতা নির্ধারণ করবে।
  • যদি আপনি যোগ্য হন, তাহলে আপনাকে একটি নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।

৩) প্রশিক্ষণ:

  • নির্বাচিত হলে, আপনাকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
  • প্রশিক্ষণ সাফল্যपूर्वक সম্পন্ন করলে আপনাকে একটি সনদপত্র দেওয়া হবে।

৪) চাকরি:

  • প্রশিক্ষণ শেষে, মন্ত্রণালয় আপনার জন্য উপযুক্ত চাকরির সুযোগ খুঁজে পেতে সহায়তা করবে।
  • আপনাকে একটি চাকরির চুক্তি স্বাক্ষর করতে হবে এবং নির্ধারিত তারিখে কাজে যোগদান করতে হবে।

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিদেশে শ্রমিক নিয়োগের কিছু সুবিধা:

  • সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
  • সরকারি নিশ্চয়তা।
  • ভালো বেতন ও সুযোগ-সুবিধা।
  • প্রশিক্ষণের সুযোগ।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখবেন:

  • সকলের জন্য সুযোগ নাও থাকতে পারে।
  • নির্দিষ্ট দেশে যেতে নাও পারেন।
  • দালালদের সতর্ক থাকুন।

আরও তথ্যের জন্য:

পরিশেষে

আমি আশা করছি আপনারা আপনাদের সরকারি ভাবে বিদেশ যাওয়ার উপায় এই প্রশ্নের উওর পেয়েছেন। আরো কিছু জানার থাকলে নিচে কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

আরো পড়ুনঃ সার্বিয়া ওয়ার্ক পারমিট দেখতে কেমন

Visited 18 times, 3 visit(s) today

Leave a Comment

x