১০টি বর্ষাকালীন সবজির নাম

১০টি বর্ষাকালীন সবজির নাম জেনে আমরা কৃষি এবং খাবার জাতীয় বৃদ্ধি করতে পারি। কৃষিপ্রধান আমাদের এই বাংলাদেশ। আষাঢ় ও শ্রাবণ এই দুই মাস নিয়ে হল বর্ষাকাল। বর্ষাকালে আমরা বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করে থাকি। বর্ষাকালীন সবজির মধ্যে রয়েছে কাকরোল, চাল কুমড়া, বেগুন, বরবটি, ঢেঁড়স, পুই শাক, শসা, ঝিঙে, চিচিঙ্গা, লাল শাক, ডাটা শাক, পাট শাক, করলা ইত্যাদি শাকসবজি। বর্ষাকালে আমাদের চারপাশ পানি দিয়ে ভর্তি থাকে তাই এই সময় মাটিতে সবজি চাষাবাদ করা খুবই কঠিন হয়ে পড়ে।

বর্ষার পানিতে আমাদের চারপাশের ময়লা আবর্জনা ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার হয়ে যায়। বর্ষায় জমিতে পলি পড়ে মাটিকে উর্বর করে। তাই প্রচুর পরিমানে সবজি জন্মে থাকে। বছরের অন্যন্য সময়ের তুলনায় বছরের এই সময়টায় উৎপন্ন সবজির স্বাদটা একটু বেশি। বর্ষাকালীন সবজির প্রতি মানুষের চাহিদাটা একটু বশি থাকে। কারন এই সময়ের সবজিগুলো সাধারনত পোকামাকড় ও জীবানুমুক্ত হয়ে থাকে। মাটি প্রচুর উর্বর থাকার কারনে কৃত্রিম সার প্রয়োগও করতে হয় না।

বর্ষাকালীন সবজি কাকে বলে?

বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ। বছরের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের সবজির সমারোহ ঘটে থাকে। বছরের প্রতিটি মাসের প্রতিটি দিনই কোন না কোন সবজি চাষ হয়ে থাকে। বর্ষাকালীন সময়ে যে সকল সবজি পাওয়া যায় তাকে বর্ষাকালীন সবজি বলে। তবে বছরের কোন সময় বেশি আবার কোন সময় পরিমানে কম সবজি পাওয়া যায়। বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় শীতকালের পরেই সবচেয়ে বেশি প্রকারের সবজির সমারোহ ঘটে বর্ষাকালে। আমরা সাধারনত এই সময়টার জন্য অপেক্ষা করি বা এই সময়টাতে উপভোগ করে সবজি খেয়ে থাকি। বর্ষাকারে চাষ হওয়া সবজির মধ্য থেকে কিছু সবজির নাম উল্লেখ করা হলো যেমন, কাকরোল, চাল কুমড়া, বেগুন, বরবটি, ঢেঁড়স, পুই শাক, শসা, ঝিঙে, চিচিঙ্গা, লাল শাক, ডাটা শাক, পাট শাক, করলা ইত্যাদি।

১০টি বর্ষাকালীন সবজির নাম

বর্ষাকালে সহজেই পাওয়া যায় তথা বর্ষাকালে প্রচুর পরিমাণে চাষ করা হয় বলেই এই সবজিগুলোকে বর্ষাকালীন সবজি বলা হয়ে থাকে। ১০টি বর্ষাকালীন সবজির নাম প্রতিটি মানুষের কম বেশি জানা থাকার কথা বলে আমাদের ধারনা। নতুন করে বলার তেমন কিছই  নেই। যেমন সুস্বাধু তেমনি পুষ্টিগুনে ভরপুর এই সময়ের সবজি। ছোট থেকে বড়, রোগী থেকে সুস্থ্য কারো জন্য কোন ধরনের ক্ষতিকর দিক নেই। নিচে ১০টি বর্ষাকালীন সবজির নাম নিয়ে থাকছে সংক্ষিপ্ত বিবরন যা আমাদের সকলের উপকারে আসতে পারে।

১। লাউ

লাউ একটি জনপ্রিয় বর্ষাকালীন সবজি যা বাংলাদেশে প্রচুর পরিমানে চাষ করা হয়। এটি একটি সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর সবজি যা বিভিন্নভাবে রান্না করে খাওয়া যায়।  আবার, লাউ-এ প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে, এ, সি এবং পটাশিয়াম রয়েছে। এটি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং সেই সাথে হার্টকে সুস্থ রাখে এবং রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। লাউ-এ ক্যালোরির পরিমাণ খুব কম থাকায় এটি আমাদের ওজন কমানোর জন্য বিশেষভাবে সাহায্য করে থাকে। চুল ঘন করা, দৃষ্টিশক্তি উন্নত করা ও লম্বা করাসহ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে লাউ এর জুড়ি মেলা ভার। লাউ খেলে আমাদের দেহের আদ্রতা ঠিক থাকে। আমাদের দেহের জলের চাহিদা পূর্ণ করে। 

২। করলা

করলা একটি বর্ষাকালীন সবজি। তাই বর্ষাকালীন আবহাওয়ায় এটি ভাল জন্মে। একটু ছোট মাছসহকারে করলা ভাজা অত্যন্ত সুস্বাদু হয়ে থাকে। ভর্তা বা তরকারি হিসেবেও খাওয়া যায়। আমাদের মধ্যে যারা ডায়াবেটিকস রোগে আক্রান্ত তারা নিয়মিত করলা খেতে পারেন। কারন করলার পুষ্টি উপাদান ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা রাখে। আবার অনেক সময় পানির সাথে মধু আর করলার রস একত্রে মিশিয়ে খাওয়া হলে অ্যাজমা এবং গলার প্রদাহে দূরীকরনে অনেক উপকারে আসে। করলা চাষের জন্য উপযুক্ত সময় হল জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর।

মনে রাখবেন করলা চাষের জন্য মাটি অবশ্যই উর্বর হতে হবে। করলা একটি পুষ্টিকর সবজি যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। করলাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে থাকে। ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে ক্ষতিকারক অণু থেকে রক্ষা করে। সুতরাং করলা একটি সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর সবজি যা সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

৩। ঝিঙা

করলার মত ঝিঙাও একটি বর্ষাকালীন মজাদার সবজি। এটি উষ্ণ আবহাওয়ায় ভাল জন্মে থাকে। ঝিঙা একটি পুষ্টিকর সবজি যা  ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। পাকস্থলীর কার্যক্ষমতা বাড়াতে এবং সর্দি ও কাশি নিয়ন্ত্রণে ঝিঙার বিশেষ কোন বিকল্প নেই।  এটি বিভিন্নভাবে রান্না করা করে খাওয়া যায যেমন ভর্তা, ভাজা বা তরকারি হিসেবে। করলার মতই ঝিঙাও একটি সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর সবজি যা সবার জন্যই উপযুক্ত কো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া। ঝিঙা চাষের জন্য উপযুক্ত সময় হল জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস। তবে ঝিঙা চাষের জন্য মাটি অবশ্যই উর্বর হতে হবে। 

৪। চিচিঙ্গা

চিচিঙ্গা একটি বর্ষাকালীন সবজি হওয়ায় এটি বর্ষাকালীন আবহাওয়ায় ভাল জন্মে থাকে। সাধারণত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস চিচিঙ্গা চাষের জন্য উপযুক্ত সময় হিসাবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। চিচিঙ্গা একটি পুষ্টিকর সবজি যা ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। যে কোন ধরনের ক্ষত শুকানোর জন্য চিচিঙ্গা কিন্তু সবার চেয়ে এগিয়ে।

৫। শসা

বর্ষাকালীন সবজি শসা সকলের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সবজি। পরিবার থেকে শুরু করে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সালাদ হিসেবে শসার জুড়ি নেই। এটি বিভিন্নভাবে রান্না করে খাওয়া যায় যেমন সেদ্ধ, ভাজা বা সালাদ হিসেবে। শসা চাষের জন্য উপযুক্ত সময় হল জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস। শসা চাষের জন্য মাটি অবশ্যই উর্বর হতে হবে। শসা একটি পুষ্টিকর সবজি যা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। শসাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ. ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে।

এই ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখে। এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে ক্ষতিকারক অণু থেকে রক্ষা করে থাকে। শসা একটি সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর সবজি যা সবার জন্য উপযুক্ত।  এর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। শসা ভিটামিন সি এর একটি ভালো উৎস। ভিটামিন সি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আমাদের শরীরকে ক্ষতিকারক অণু থেকে রক্ষা করে থাকে।

৬। চালকুমড়া

চালকুমড়াও একটি বর্ষাকালীন পরিচিত সবজি। তাই এটি বর্ষাকালীন আবহাওয়ায় ভাল জন্মে থাকে। চালকুমড়া একটি পুষ্টিকর সবজি যা ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রদান করে থাকে। এটি বিভিন্নভাবে রান্না করে খাওয়া যায় যেমন ভাজা, সেদ্ধ, ভর্তা বা তরকারি হিসেবে। চালকুমড়ার রয়েছে নানান পুষ্টিগুণ যা আমাদের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখে,হজমে সাহায্য করে থাকে, রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ করে ইত্যাদি। তাই প্রত্যেকের উচিত প্রতিনিয়ত নিয়ম করে চালকুমড়া খাওয়া। দামে যেমন সস্তা তেমনি হাতের নাগালেই পাওয়া যায়। এর জন্য আলাদা কোন জমির প্রয়োজন হয় না। বসতবাড়ির ঘরের চালেই এটি চাষ করা যায়। 

৭। ধুন্দুল

আমাদের সকলের কাছে আরেকটি পরিচিত সবজি হলো ধুন্দল। যদিও এটা অঞ্চলভেদে বিভিন্ন নামে ডাকা হয়। বর্ষাকালীন সবজি ধুন্দুল চাষের জন্য উপযুক্ত সময় হল জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস। তবে ধুন্দুল চাষের জন্য মাটি অবশ্যই উর্বর হতে হবে। এর মধ্যে থাকা লুটেইন এবং জেক্সানথিন নামক দুটি পুষ্টি উপাদান থাকে যা হাড় এবং দাঁত শক্তিশালী করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

ধুন্দুলের মধ্যে বিদ্যমান ভিটামিন-বি ২ ও জিঙ্ক মাথার চুলের বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং সেই সাথে চুলের গোড়া শক্ত করতে সাহায্য করে থাকে। ধুন্দুল একটি পুষ্টিকর সবজি যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। ধুন্দুলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ ,ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। 

৮। মিষ্টি কুমড়া

শুধু নামেই নয় খেতেও অত্যন্ত মিষ্টি আর সুস্বাদু তাই এই সবজিটির নাম মিষ্টি কুমড়া। এটি  একটি বর্ষাকালীন সবজি। মিষ্টি কুমড়ায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে যা দৃষ্টিশক্তির জন্য খুবই উপকারী। আবার ভিটামিন সি রয়েছে যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে থাকে। এবং বি৬ রয়েছে যা শরীরের বিপাক ক্রিয়াকে উন্নত করে। এতে ক্যালোরি কম এবং ফাইবার বেশি থাকার কারনে এটি ওজন কমাতে সাহায্য করে থাকে। আপনি কি কখনো মিষ্টি কুমড়ার পায়েস খেয়েছেন? অবাক হচ্ছেন এই ভেবে যে মিষ্টি কুমড়ার আবার পায়েসও বানানো যায় নাকি? হ্যাঁ পায়েস তৈরিতেও মিষ্টি কুমড়ার রয়েছে অনন্য ভূমিকা।

৯। বরবটি

আমাদের সকলের কাছে পরিচিত একটি সবজি হলো বরবটি। বর্ষাকালীন সবজি বরবটি সাধারণত বর্ষার সময় অর্থাৎ মে থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত চাষ করা হয়ে থাকে। বরবটিতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন আছে যা আমাদের শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। এতে বিদ্যমান ফাইবার যা আমাদের হজম শক্তি বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রাখেভ। এবং ভিটামিন ও খনিজ আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে থাকে। ক্যালোরি সমৃদ্ধ সবজি হওয়ার কারণে এটি আমাদের ওজন কমাতেও সাহায্য করে থাকে। তাই আমরা নিয়মিত খাদ্য তালিকায় বরবটি রাখতে পারি।

১০। ঢেঁড়স

সবচেয়ে বেশি পরিচিত ও যে সবজিটি বেশি খাওয়া হয় তা হলো ঢেঁড়স। ঢেঁড়স হল একটি বর্ষাকালীন সবজি যা সাধারণত জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত চাষ করা হয়ে থাকে। এটি একটি সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর সবজি যা আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী। ঢেঁড়সে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, খনিজ এবং ফাইবার রয়েছে। এটি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে থাকে। আবার হজমশক্তিও উন্নত করে। আমাদের শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করে এবং আমাদের দৃষ্টিশক্তিকে ভালো রাখে। যাদের শরীরের ওজন বেশি তারা নিয়মিত এই সবজিটি খেতে পারেন।

বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

১০টি বর্ষাকালীন সবজির নাম এই বিষয়ে আপনার মনে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন থাকতে পারে। তবে চলুন জেনে নেই সেই সকল সমস্ত সকল প্রশ্ন ও উত্তর।

সবজি খেলে কি কি উপকার হয়?

সবজিতে থাকা এন্টি অক্সিডেন্ট হৃদরোগ প্রতিরোধ করার পাশাপাশি মানুষকে শারীরিকভাবে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে। সবজির আঁশ ও এন্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান আমাদের খাদ্যনালির ক্যান্সারসহ বিভিন্ন ক্যান্সার প্রতিরোধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সৃষ্টি করে থাকে। 

সবজিতে কি কি ‍উপকারি উপাদান থাকে?

সবজিতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, বিটা-ক্যারোটিন, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, ফলিক এসিড, এন্টিঅক্সিডেন্ট, আঁশ ও ভিটামিন থাকে। তাই এইসব সবজি খেলে আমাদের শরীরের অনেক উপকার হয়ে থাকে।

উপসংহার

আমাদের দেশে বারোমাসি সবজি পাওয়া যায়। তবে বর্ষাকালীসসবজির প্রতি মানুষের আগ্রহ ও ভালোবাসা ভিন্ন। সুস্বাদু ও পুষ্টিগুনের জন্য আলাদা টান কাজ করে। সবজি আসাদের দেহের বিভিন্ন ভিটামিন সরবরাহের পাশাপাশি স্বাস্থ্যের অনেক উপকার করে থাকে। খাদ্য তালিকায় বর্ষাকালীন সবজি থাকবে না তা হতে পারে না। নিয়মিত খাদ্য তালিকায় ১০টি বর্ষাকালীন সবজির নাম  রাখার চেষ্টা করুন ।

দেখবেন  আপনার সামগ্রিক পুষ্টিগুন এবং সুস্থতা বৃদ্ধি পাবে। কারন এই সবজিগুলোতে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান বিদ্যমান থাকে যা আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী। তাই এই সবজিগুলো আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। সাধারনত যে কোন সবজি অন্যান্য খাদ্যের তুলনায় ক্ষতিকারক দিক কম থাকে। এছাড়াও আপনার জ্ঞানকে প্রসারিত করতে বিকাশ কাস্টমার কেয়ার হেল্প লাইন নাম্বার সম্পর্কে পড়তে পারেন।

“১০টি বর্ষাকালীন সবজির নাম” এই বিষয়ে আপনার যদি কিছু জানার থাকে তবে আপনি এই পোস্টের নিচে মন্তব্য করতে পারেন। এছাড়াও এই পোস্ট-টি তথ্যবহুল মনে হলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। ধন্যবাদ।

Leave a Comment

x